ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পারিবারিক কলহের জেরে মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর বিষাক্ত পদার্থ সেবনে গাজী খোরশেদ আলম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কাইমপুর পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৪৮) ও মেয়ে রাবেয়া আক্তারকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, কয়েক দিন আগে রাবেয়া আক্তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়, টাকা-পয়সা ও সম্পত্তি নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাবেয়া তার বাবাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে আহত বাবাকে চিকিৎসার জন্য কসবা আল নূর প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান মেয়ে। চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণ পর খালের পাড়ে বসে থাকতে দেখা যায় খোরশেদ আলমকে। এ সময় তার স্ত্রী নূরজাহান বেগম তাকে বাড়িতে আনতে গেলে শরীর থেকে বিষাক্ত ওষুধের গন্ধ পান বলে জানা গেছে।
পরে তাকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে ওয়াশ করার পর বিষাক্ত পদার্থ সেবনের বিষয়টি জানতে পারেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল এলাকায় তার মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে কসবা-আখাউড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব ও কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও মেয়েকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কাইমপুর পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৪৮) ও মেয়ে রাবেয়া আক্তারকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, কয়েক দিন আগে রাবেয়া আক্তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়, টাকা-পয়সা ও সম্পত্তি নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাবেয়া তার বাবাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে আহত বাবাকে চিকিৎসার জন্য কসবা আল নূর প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান মেয়ে। চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণ পর খালের পাড়ে বসে থাকতে দেখা যায় খোরশেদ আলমকে। এ সময় তার স্ত্রী নূরজাহান বেগম তাকে বাড়িতে আনতে গেলে শরীর থেকে বিষাক্ত ওষুধের গন্ধ পান বলে জানা গেছে।
পরে তাকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে ওয়াশ করার পর বিষাক্ত পদার্থ সেবনের বিষয়টি জানতে পারেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল এলাকায় তার মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে কসবা-আখাউড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব ও কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও মেয়েকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
অনলাইন ডেস্ক